ভিডিও গ্যালারি
সোমবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৭
  •   মুজাহিদ, সাকা চৌধুরীর রিভিউ আবেদন খারিজ: মৃত্যুদন্ড বহাল
  •   জর্ডানে দুই জঙ্গির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর
 সাম্প্রদায়িকতার আবর্তে রাজনীতি ও বিভ্রান্ত জনমত
কালেরকন্ঠে মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারীর লেখা
Publish Date : 2017-04-20,  Publish Time : 06:39,  View Count: 266    8 months ago

আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থার সবচেয়ে জনপ্রিয় ভাবাদর্শ হচ্ছে গণতন্ত্র। গণতন্ত্রে সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের শাসন প্রতিষ্ঠার সুযোগ রয়েছে। বাকি জনগণের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের শিক্ষা গণতন্ত্রে থাকলেও তা শুধু প্রদর্শন করে উদারবাদী অংশই—রক্ষণশীল, উগ্র ও হঠকারী অংশ তা করে না। সে কারণে সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়া সব গণতন্ত্রের দাবিদার শাসকগোষ্ঠীকেই ‘গণতন্ত্রের যুধিষ্ঠির’ ভাবার কোনো কারণ নেই। গণতন্ত্রের ভাবাদর্শের আড়ালে অনেক মেকি, অপশক্তি, গণতন্ত্রবিরোধী শক্তিরও চেহারা লুকিয়ে থাকার অভিজ্ঞতা রয়েছে। বিশেষত গণতন্ত্রে যখন কোনো রাষ্ট্র সবে যাত্রা শুরু করে তখন গণতন্ত্রের ছদ্মাবরণে অনেক অপশক্তিই গণতন্ত্রের সুযোগ নানাভাবে নিয়ে থাকে, যা বুঝতে ভোটদাতাদেরই অনেক সময় বেশ কষ্ট হয়, ভুল হয়, বেশ সময় লাগে। ইতালিতে মুসোলিনি, জার্মানিতে হিটলারসহ অনেকেই সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁরা ফ্যাসিবাদ ও নাৎসিবাদ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মতো বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ মানবতাবিরোধী অপকর্ম সংঘটিত করেছিলেন। অথচ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ইতালি বা জার্মান জনগণ কি একবারও ভাবতে পেরেছিল যে জাতিগত সাম্প্রদায়িকতার উন্মাদনায় বিভ্রান্ত হয়ে মুসোলিনি ও হিটলারের মতো নেতাদের গড়া রাজনৈতিক দলের প্রতি আস্থা রেখে গণতান্ত্রিক ভোটাধিকার প্রয়োগ করে শেষ পর্যন্ত উভয় দেশ ও জাতিরই শুধু নয়, গোটা পৃথিবীর জন্যই তারা ভয়াবহ বিপর্যয় সৃষ্টির পথ করে দিয়েছিল। এ ধরনের বিপর্যয়কর ঘটনা পৃথিবীর ইতিহাসে গত ১০০ বছরে অসংখ্য ঘটেছে, আমাদের জাতীয় ইতিহাসেও ছোট পরিসরে হলেও বারবার ঘটে চলছে, যুক্তরাষ্ট্রও নির্দিষ্ট পরিসরে উগ্র মতাদর্শিক রাজনৈতিক শাসনের খপ্পরে পড়েছে। সারা পৃথিবীসহ যুক্তরাষ্ট্রের উদারবাদী গণতন্ত্রের ধারকদের জন্য উগ্র রক্ষণশীলদের শাসন কতটা উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার বিষয় হয়ে পড়ে, তা ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষমতারোহণের পর সবাই টের পাচ্ছে। এসবই নির্বাচন-পূর্ববর্তী উগ্র জাতীয়তাবাদী ভাবাবেগতাড়িত জনমতের প্রতিফলন, যা গণতন্ত্রের অভিযাত্রাকে এগিয়ে নেওয়ার পরিবর্তে পিছিয়ে নেয় বেশি।

পৃথিবীতে গণতন্ত্রের অভিযাত্রা মোটেও সরলভাবে বা যেভাবে বলা হয়, বই-পুস্তকে পাঠ দেওয়া হয়, বাস্তবে তা হয়নি। প্রতিটি দেশের সামাজিক, রাজনৈতিক, শিক্ষা, সাংস্কৃতিক বাস্তবতা এ ক্ষেত্রে বিশেষভাবে মনে রাখার বিষয়। উন্নত দুনিয়ায়ও একেক দেশে গণতন্ত্রের যাত্রা একেকভাবে হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে অগ্রসর চিন্তাশীল রাষ্ট্রনায়করা নিজেদের বাস্তবতা অনুযায়ী গণতন্ত্রের সৃজনশীল বিকাশ ঘটিয়েছেন। তার পরও সব সময় তাঁদের পথ সরলরেখায় চলেনি, আঁকাবাঁকা পথে কখনো এগিয়ে গেছে, কখনো থমকে দাঁড়িয়েছে, কখনো বা সাময়িক পশ্চাদপসরণ ঘটেছে।

আমাদের এখানে গণতন্ত্রের জন্য অনেকের মায়াকান্না শুনি, অনেকের বিমূর্ত কথাবার্তা শুনি, তত্ত্ব কথাও কেউ কেউ কম জানান না। যাঁদের মায়াকান্না বেশি শুনি তাঁদের কারো কারো শাসনামল খুব নিকট-অতীতের অভিজ্ঞতা মাত্র। সাম্প্রদায়িক পাকিস্তান রাষ্ট্রব্যবস্থা থেকে বের হয়ে ১৯৭১ সালে উদার জাতীয়তাবাদী বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ধারা সূচিত হয়েছিল। আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার এটিই মূল নির্ভরশীল ধারা। এটি প্রতিষ্ঠার জন্য ধারাবাহিক বিকাশ সাধন, নিয়মনিষ্ঠ পথ আমাদের মতো সমস্যাসংকুল দেশে ১৯৭২-উত্তর সময়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ধারা যতটা সূচিত হয়েছিল, তা মোটেও কম ছিল না। কিন্তু বেশির ভাগ রাজনীতিবিদ ও নাগরিক সমাজ গণতন্ত্রের বাংলাদেশের নিজস্ব রোডম্যাপ তৈরি করার পর্যায়ে ছিল না। তখন বিতর্ক ছিল গণতন্ত্র বনাম সমাজতন্ত্র নিয়ে, যা আমাদের রাষ্ট্রচিন্তার দৈন্যদশারই বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। তার পরও বঙ্গবন্ধু ১৯৭৫ সালে গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ ও ধর্মনিরপেক্ষতার একটি নিজস্ব এক্সপেরিমেন্ট করতে উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারী গোষ্ঠী তাদের তৎকালীন পন্থা রক্তাক্ত ক্যু সংঘটনের মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতার পরিবর্তন ঘটাতে দ্বিধা করেনি। এর পরপরই ধর্মাশ্রয়ী রাজনীতিকে আবার নিয়ে আসা হলো। সাড়ে তিন বছরের শাসনকে ‘ধর্মের অভাবের’ বলে অভিহিত করে তা দিয়ে ভরিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলো। একই সঙ্গে ভারতবিরোধিতার নামে ‘সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র পরিচিতি’র জিগির তোলা হলো।

রাষ্ট্রব্যবস্থার যেকোনো উত্তরণকালে দুর্ভিক্ষ, অভাব, ধর্ম, জাতীয়তাবাদ ইত্যাদিকে ব্যবহার করে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর মধ্যে উন্মাদনা সৃষ্টি করা যায়। প্রথম বিশ্বযুদ্ধোত্তর ইউরোপ, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর ব্রিটিশ-ভারত, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের ক্রান্তিকালকে সেভাবেই দেখা যেতে পারে। ১৯৭৫ সালে যারা রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেছিল, তাদের বিভ্রান্ত জাতীয়তাবাদী, গণতন্ত্রের মুখোশধারী হিসেবেই আখ্যায়িত করা যায়। গণতন্ত্রের সঙ্গে এগুলোর কোনোটিই চলে না, সহায়ক তো নয়ই, বরং ভয়ংকর ক্ষতিকর বললেও কম বলা হবে। গোটা রাষ্ট্রযন্ত্রের মতাদর্শের বিষয়গুলোকে উগ্র, হঠকারী ও ধর্মাশ্রয়ী ভাবাদর্শে গুলিয়ে ফেলা হলো, ককটেল বানিয়ে ফেলা হলো। আমাদের মতো অনুন্নত সমাজ, শিক্ষা-সংস্কৃতিতে পিছিয়ে পড়া দেশে এ ধরনের পাঁচমিশালি ককটেল মার্কা ভাবাদর্শের গোলকধাঁধায় যে জনমত রাজনীতির জন্য তৈরি করা হলো, তার ওপর গণতন্ত্রের নির্ভর করার কোনো সুযোগ নেই। এমন আদর্শের শ্রেষ্ঠ নজির হচ্ছে পাকিস্তান। ৭০ বছরে দেশটি একটি ‘ব্যর্থ রাষ্ট্রে’ পরিণত হয়েছে। এর পরও আমাদের দেশে রাজনীতিতে গণতন্ত্রের নির্ভেজাল চর্চা নিয়ে কোনো উদ্বেগ বা সচেতন প্রয়াস সেভাবে নেই। ১৯৭৫-পরবর্তী ৪২ বছরের ২৯ বছরই বাংলাদেশ পাকাপোক্তভাবে রাজনীতিকে রক্ষণশীল, সাম্প্রদায়িক, হঠকারী ও বিভ্রান্তি পথে পরিচালিত হয়েছে। বাংলাদেশে এই সময়ে ধর্মাশ্রয়ী, ভারতবিরোধী রাজনীতির জিগিরে যে জনমত তৈরি হয়েছে, তাতে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ ধর্ম ও গণতন্ত্র নিয়ে দ্বিধান্বিত ও বিভ্রান্ত হয়েছে ব্যাপকভাবে। যেখানে মানুষকে গণতান্ত্রিক চিন্তাধারায় শিক্ষিত করা জরুরি ছিল, সেখানে সাম্প্রদায়িকতার সর্বগ্রাসী দানবকে রাজনীতিতে ছেড়ে দেওয়া হলো। ফলে বৃহত্তর সমাজ সাম্প্রদায়িকতার গোলকধাঁধায় আটকে গেছে। এ দেশের রাজনীতি, সমাজ, শিক্ষা, সংস্কৃতি, বিচার, প্রশাসনসহ সর্বত্র সাম্প্রদায়িকতার প্রসার বাধাহীনভাবে ঘটেছে। একই সঙ্গে অসাম্প্রদায়িকতা পদে পদে বাধাগ্রস্ত, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

গণতন্ত্র এভাবে চলে না, হয় না, হচ্ছেও না। এখন এ সমাজে কত শতাংশ মানুষ নির্ভেজাল গণতন্ত্র সম্পর্কে নির্ভেজাল ধারণা রাখে, কত শতাংশ ‘গণতন্ত্রী’ নির্ভেজাল গণতন্ত্রের চর্চা করে, তা নিয়ে জরিপ করলে হতাশার পাল্লাই ভারী হতে দেখলে মোটেও আশ্চর্য হওয়ার কিছু থাকবে না। আমাদের মতো দেশে মুখে গণতন্ত্র, রাজনীতি ও দেশ শাসনে সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গিবাদ-নির্ভরতা কতটা আত্মঘাতী প্রবণতা, তা অনেকেই বুঝতে চায় বলে মনে হয় না। এ সমাজের যেকোনো স্তরের নেতৃত্ব সাম্প্রদায়িকতার ফল বেশি পেয়ে এতটাই ফুলে-ফেঁপে উঠেছে যে ঘুষ, দুর্নীতি, মিথ্যাচার, প্রতারণা, অযোগ্যতা ইত্যাদি কোনো কিছুই তাদের তীব্র কোনো প্রতিক্রিয়ার মুখে ফেলে না। ধর্মাশ্রয়ী রাজনীতি দিয়ে এসব ‘জায়েজ’ করে ফেলা সম্ভব হচ্ছে। ধর্মের পূতপবিত্রতাকে বাদ দিয়ে শুধু বাহ্যিক আচারকে ব্যবহার করে এ সমাজ কতটা মিথ্যাচার, ঘুষ-দুর্নীতি, সুবিধা আদায়ে লাভবান হচ্ছে, তা একটু গভীরভাবে মনোনিবেশ করলে চারপাশেই দেখা যাবে। কিন্তু এ নিয়ে খুব বেশি সমালোচনা নেই। অথচ গণতন্ত্র হলো অধিকার ও আইনের সংস্কৃতি, যা রাষ্ট্র ও সমাজ নিরবচ্ছিন্নভাবে চর্চা করে থাকে। সেটিকে বাদ দিয়ে গণতন্ত্র হয় না।

আমাদের সমাজ ও রাজনীতিতে সেই চর্চা কোথায়? যাঁরা গণতন্ত্রের জন্য প্রতিদিন মায়াকান্না করেন, গণতন্ত্র হরণের তত্ত্ব দিচ্ছেন তাঁরা ধর্মীয় সাম্প্রদায়িকতাকে ব্যবহার করে কয়েকবারই তো জয়লাভ করেছিলেন। নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠনের পর ২০০১-২০০৬ সালে তাঁরা যেভাবে দেশ শাসন করেছিলেন, তাতে গণতন্ত্রের অসাম্প্রদায়িক শক্তিকেই তো কবরস্থ করতে সব শক্তি তাঁরা নিয়োগ করেছিলেন। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের রাষ্ট্রক্ষমতায় বসিয়ে দেশে যে তাণ্ডব সৃষ্টি করেছিলেন, তারপর কি গণতন্ত্রের কিছু অবশিষ্ট থাকে? নির্বাচনব্যবস্থা ধ্বংসের অভিযোগে এখন তাঁরা সোচ্চার। ভালো কথা। ইয়াজউদ্দিনের তত্ত্বাবধায়ক সরকার তখন কোন বিধান মতে গঠিত হয়েছিল? কোন নিয়মমতো সেই সরকারটি পরিচালিত হয়েছিল? ২০০৭ সালের ২২ জানুয়ারির একতরফা নির্বাচন কিভাবে শেষ করা হচ্ছিল? নির্বাচনব্যবস্থাকে বলির পাঁঠায় তখন যাঁরা পরিণত করেছিলেন তাঁরা কি সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনব্যবস্থার নিশ্চয়তা দিতে পারেন? ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচন প্রতিহত করার নামে চালানো তাণ্ডবলীলায় যাঁরা অংশ নিয়েছিলেন তাঁরা কি মানুষের ভোটাধিকার হরণে কোনো ভূমিকা রাখেননি? অথচ পুরো বিষয়টি তখন চলেছিল জামায়াত-শিবিরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকে ভণ্ডুল করার জন্য! ২০১৩ সালে দেশে হেফাজতে ইসলামকে রাজনীতির মাঠে কারা, কী উদ্দেশ্যে নামিয়েছিল তা কি নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে? দেশে সাম্প্রদায়িক ও জঙ্গিবাদী গোষ্ঠীর উত্থানে যাদের কোনো উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা নেই, বরং দেশে অব্যাহত জঙ্গিদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে দমনে গৃহীত উদ্যোগ সম্পর্কে প্রতিনিয়ত তারা সন্দেহ প্রকাশ করছে। এর সঙ্গে বিরোধী দলের অধিকার হরণ করার অভিযোগও তোলা হচ্ছে। বস্তুত সাম্প্রদায়িকতার আশ্রয় ও প্রশ্রয়কে ক্ষমতায় যাওয়ার কৌশল ও শক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। যেকোনো নির্বাচনে এসব অপশক্তির সমর্থন নেওয়া হচ্ছে। দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের কোনা মাত্রাই উঠতি ধনিক গোষ্ঠীর বিশেষ অংশকে খুব একটা তুষ্ট করতে পারছে না। ঘুরেফিরে নানা প্রচার-অপপ্রচারে জনমতকে প্রভাবিত করার পুরনো সংস্কৃতি নতুনভাবে শক্তি সঞ্চয় করছে, তাতে প্রভাবিত হয়ে নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠের শাসন প্রতিষ্ঠা করা যাবে, তবে সেই সংখ্যাগরিষ্ঠের শাসন যদি হয় সাম্প্রদায়িক রাজনীতির প্রভাব দ্বারা তাড়িত, তাহলে শেষ বিচারে গণতন্ত্রের নির্বাসিত হওয়ার আশঙ্কাই বেশি থাকতে পারে। বাংলাদেশের সচেতন জনগণ এ বিষয়ে সতর্ক না হলে ২০০১-২০০৬ সালের চেয়েও মারাত্মক রাজনৈতিক বিপর্যয় জাতীয় জীবনে নেমে আসতে পারে। তাই গণতন্ত্রের সংগ্রামে মন্দের ভালোকে চিনতেও ভুল করা যাবে না।

লেখক : অধ্যাপক, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

patwari54@yahoo.com










ইনফরমেশন পোর্টাল অব বাংলাদেশ (প্রা.) লিমিটেড -এর চেয়ারম্যান সৈয়দ আবিদুল ইসলাম ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ রওশন জামান -এর পক্ষে সম্পাদক কাজী আব্দুল হান্নান  ও উপদেষ্টা সম্পাদক সৈয়দ আখতার ইউসুফ কর্তৃক প্রকাশিত ও প্রচারিত
ইমেইল: info@iportbd.com, বার্তা বিভাগ: newsiport@gmail.com