ভিডিও গ্যালারি
সোমবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৭
  •   মুজাহিদ, সাকা চৌধুরীর রিভিউ আবেদন খারিজ: মৃত্যুদন্ড বহাল
  •   জর্ডানে দুই জঙ্গির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর
বড় ঋণে জিম্মি সরকারি ব্যাংক
আইপোর্ট নিউজ:
Publish Date : 2017-04-16,  Publish Time : 16:05,  View Count: 161    8 months ago

সরকারি ব্যাংকগুলোকে কি বড় বড় ঋণখেলাপির কাছে বন্ধক দেওয়া হয়েছে? সরকারি ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের ৫০ শতাংশের বেশি শীর্ষ ২০ খেলাপির কাছে। অথচ আইন বদলে বারবার এদেরই ঋণ দেওয়া হচ্ছে। ওই নীতিমালার আলোকে ১১টি প্রতিষ্ঠানের ১৫ হাজার ২১৮ কোটি টাকা পুনর্গঠন সুবিধা দেয় বিভিন্ন ব্যাংক। এর আগে রাজনৈতিক অস্থিরতার পরিপ্রেক্ষিতে দেওয়া সুবিধার আলোকে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকার ঋণ পুনঃ তফসিল করে ব্যাংকগুলো। বড় খেলাপিদের সুবিধা করে দেওয়াই কি সরকারি ব্যাংকগুলোর কাজ?

অতিরিক্ত তারল্য এবং খেলাপি ঋণ ব্যাংক খাতের উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। বারবার ঋণ খেলাপের সুযোগ করে দিয়ে জনগণের করের অর্থ লোপাটের এই বন্দোবস্ত অর্থনীতির জন্য মারাত্মক অশনিসংকেত। ১০ শতাংশের বেশি ঋণ খেলাপি মারাত্মক বিপদের লক্ষণ। অথচ বাংলাদেশ ব্যাংকও চিকিৎসার বদলে রোগেরই সেবা করে যাচ্ছে। এক ভয়ংকর পরিসংখ্যানের মুখে দাঁড়িয়ে আছে ব্যাংক খাত। ২০১৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সব ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৬২ হাজার ১৭২ কোটি টাকা। খেলাপি ঋণের অর্ধেকের বেশি, অর্থাৎ ৫১ দশমিক ৭৬ শতাংশ রয়েছে সরকারি পাঁচ ব্যাংকে। বিশেষ বিবেচনায় পুনঃ তফসিল ও পুনর্গঠন করা অধিকাংশ ঋণ খেলাপির ঝুঁকিতে পড়েছে। বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি ব্যাংকে খেলাপি ঋণের হার ১ শতাংশের কম, সেখানে একই বাস্তবতায় সরকারি ব্যাংকে তা ২৫ শতাংশের ওপরে ওঠে কী করে? স্পষ্টতই ব্যাংক খাতে লুটপাটের মস্ত সুড়ঙ্গ খোঁড়া হয়েছে। সেই সুড়ঙ্গে আরও টাকা ঢালতে জনগণের করের টাকা থেকে মূলধন জোগাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক!

সরকারি ব্যাংকগুলোর পরিচালক নিয়োগে রাজনৈতিক পক্ষপাত যেমন এ পরিস্থিতির জন্য দায়ী, তেমনি সরকারি তদবির ও ক্ষমতার যোগসাজশও মন্দ ঋণের জন্য দায়ী। অর্থমন্ত্রী নিরন্তর যুক্তি ও সাফাই দিয়ে গেলেও পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে না। বরং পুরোনো ভুলের পুনরাবৃত্তিতেই সমাধান খোঁজা হচ্ছে।

কোথাও না কোথাও এর রাশ টানতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে জালিয়াতির মাধ্যমে বিদেশে অর্থ পাচার হয়েছে। পাশাপাশি তাদের প্রশ্রয়েই ব্যাংক খাত থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ উবে গেছে বললে কি বেশি বলা হয়? বাংলাদেশ ব্যাংক আর কবে চেতন হবে, কঠোর হবে?









ইনফরমেশন পোর্টাল অব বাংলাদেশ (প্রা.) লিমিটেড -এর চেয়ারম্যান সৈয়দ আবিদুল ইসলাম ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ রওশন জামান -এর পক্ষে সম্পাদক কাজী আব্দুল হান্নান  ও উপদেষ্টা সম্পাদক সৈয়দ আখতার ইউসুফ কর্তৃক প্রকাশিত ও প্রচারিত
ইমেইল: info@iportbd.com, বার্তা বিভাগ: newsiport@gmail.com