Saturday, 5 December, 2020, 6:37 PM
Home
চালের দাম বাড়লে জনদুর্ভোগ বাড়ে
আবদুল লতিফ মন্ডল  লিখেছেন যুগান্তরে
Published : Wednesday, 26 April, 2017 at 2:24 PM, Count : 63
পত্রপত্রিকা ও অন্যান্য সূত্রে সংগৃহীত তথ্যে দেখা যায়, গত বোরো মৌসুমের পর থেকে ক্রমাগত বেড়ে চলেছে সব ধরনের চালের দাম। বিশেষ করে মোটা চালের দাম বৃদ্ধি অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ করেছে। চাল বাংলাদেশের মানুষের প্রধান খাদ্য। চালের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণ এবং এ মূল্যবৃদ্ধি কীভাবে জনগণের জীবনে দুর্ভোগ বয়ে আনছে তা আলোচনা করাই এ নিবন্ধের উদ্দেশ্য।

২৯ নভেম্বর ২০১৬ বণিক বার্তায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বিগত আট বছরে মোটা চালের দাম সর্বোচ্চ বৃদ্ধি পায় ওই বছর আগস্ট-অক্টোবর সময়কালে। ২০০৯ সালে যেখানে এক কেজি মোটা চালের দাম ছিল ২০ থেকে ২৪ টাকা, সেখানে ২০১৬ সালের অক্টোবরে চালের কেজিপ্রতি দাম দাঁড়ায় ৩৬ থেকে ৪০ টাকায়। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটের তথ্য মোতাবেক, গত জানুয়ারির শেষদিকে মোটা চালের খুচরা দাম ছিল প্রতি কেজি ৩৪-৩৭ টাকা। ১১ এপ্রিল দ্য ডেইলি স্টারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ঢাকায় প্রতি কেজি মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪২ টাকায়, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ৩৭-৪০ টাকা। ১৯ এপ্রিল যুগান্তরের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মোটা চাল স্বর্ণা ও চায়না ইরির দাম কেজিপ্রতি এক মাসে ৩৭-৪০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৪০-৪২ টাকা। মাসের ব্যবধানে এর দাম বেড়েছে ৬ দশমিক ৪৯ শতাংশ। আর এক বছর আগে এর দাম ছিল ৩২ থেকে ৩৪ টাকা। সেক্ষেত্রে বছরের ব্যবধানে দাম বেড়েছে ২৪ দশমিক ২৪ শতাংশ। ২২ এপ্রিল পত্রিকাটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আরও বেড়েছে মোটা চালের দাম। কেজিপ্রতি স্বর্ণার দাম ১ টাকা বেড়ে ৪৩ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সরকারি সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্যের বরাত দিয়ে ২২ এপ্রিল ভোরের কাগজের এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, চায়না ইরি, লতা, বিনা-৭, বিআর-২৮, বিআর-৩৯, ৪৯, ৫১ এবং স্বর্ণা গুটিজাতীয় মোটা চাল এক বছর আগে প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ৩২-৩৪ টাকায়। আর এখন সেই একই চাল কিনতে ৪০-৪৬ টাকা ব্যয় করতে হচ্ছে একজন ভোক্তাকে। এ ক্ষেত্রে গত এক বছরে দাম বৃদ্ধির হার প্রায় ২৫ শতাংশ। এসব তথ্য থেকে দেখা যায়, বর্তমানে মোটা চালের দাম অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে ফেলেছে।

শুধু মোটা চালের দাম বাড়েনি, দাম বেড়েছে মাঝারি ও চিকন চালেরও। যুগান্তরের ১৯ এপ্রিলের প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৮ এপ্রিল খুচরা বাজারে ভালো মানের নাজিরশাইল প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ৫২ থেকে ৫৬ টাকায় এবং মিনিকেট প্রতি কেজি মানভেদে ৫৩ থেকে ৫৬ টাকায়। ২২ এপ্রিল ভোরের কাগজের প্রতিবেদন অনুযায়ী ৯.৭৬ শতাংশ দাম বেড়েছে মাঝারি মানের পাইজাম চালের। আর নাজিরশাইল, বাসমতি ও মিনিকেটখ্যাত উন্নতমানের চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৮-৫৬ টাকায়, এ ক্ষেত্রে দাম বৃদ্ধির হার প্রায় ৬ শতাংশ।

চালের দাম বাড়ার জন্য খুচরা ও পাইকারি চাল ব্যবসায়ীরা দোষ চাপাচ্ছেন চালকল মালিকদের ওপর। তারা বলছেন, দেশে বর্তমানে চালের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। তবুও চালকল মালিকরা কয়েক দফায় দাম বাড়িয়েছেন। অটোরাইস মিলারদের কাছে মৌসুমে কম দামে কেনা ধান-চাল এখনও প্রচুর। তবে কৃষকদের কাছে এখন তেমন ধান নেই। এ কারণে ধান বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। চালের দর বৃদ্ধি বা কমা পুরোটাই এখন মিল মালিকদের ওপর নির্ভর করছে। তদারকি ব্যবস্থা জোরদার হলে চালের দাম কিছুটা কমতে পারে বলে মনে করেন ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীরা অবশ্য আরও বলছেন, সরকার সব ধরনের চাল আমদানির ওপর ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করায় দেশে ধানের দাম কিছুটা বাড়লেও আমদানি কমে গেছে। ২০ শতাংশ শুল্ক দিয়ে আমদানি করার ফলে বাজারে চালের দাম বেড়ে যাচ্ছে। শুল্ক উঠিয়ে দেয়া হলে চালের দাম কমে আসবে বলে মনে করেন তারা। আর চালকল মালিকরা চালের নতুন করে মূল্যবৃদ্ধির কারণ হিসেবে মৌসুম শেষ হয়ে যাওয়াকে দায়ী করছেন। তাদের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এখন পুরনো ধানও শেষ পর্যায়ে, চালও শেষ পর্যায়ে। এ সময়ে দাম কিছুটা বৃদ্ধি পাওয়া স্বাভাবিক ঘটনা। তাদের মতে, দুই সপ্তাহ বাজার এরকম থাকবে। নতুন বোরো ধান উঠতে শুরু করলে দাম কমতে শুরু করবে।

এসব বক্তব্যকে যথেষ্ট গুরুত্ব প্রদান করেও বলা যায়, চালের দাম বৃদ্ধির কারণগুলো নিহিত অন্যত্র। এগুলো হল- এক. চাল উৎপাদন প্রবৃদ্ধির হার জনসংখ্যা বৃদ্ধি হারের চেয়ে কম। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় কৃষি খাতের শস্য উপখাতে, বিশেষ করে চাল উৎপাদনে প্রবৃদ্ধির হার হতাশাব্যঞ্জক। গত কয়েক বছরের বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ২০১১-১২ থেকে ২০১৫-১৬ সময়কালে দেশে চাল উৎপাদন প্রবৃদ্ধির হার ১ দশমিক শূন্য ৩ থেকে ১ দশমিক ৩৩ শতাংশের মধ্যে রয়েছে। এর অর্থ দাঁড়ায়, এ সময়কালে আমাদের চাল উৎপাদনে প্রবৃদ্ধির হার জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারের (১ দশমিক ৩৭ শতাংশ) চেয়ে কম। একাধিক কারণে এটা ঘটছে। প্রথমত, চাল উৎপাদনে শীর্ষস্থানে থাকা বোরোর (মোট চালের ৫৬ শতাংশ বোরো) উৎপাদনে প্রবৃদ্ধির হার সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কমতে কমতে গত অর্থবছরে তা মোটেই বৃদ্ধি না পেয়ে ঋণাত্মক হয়েছে। সরকারি তথ্য মোতাবেক, ২০১৪-১৫ অর্থবছরের ১ কোটি ৯১ লাখ ৯২ হাজার টনের তুলনায় গত অর্থবছর (২০১৫-১৬) বোরোর উৎপাদন ১ কোটি ৮৯ লাখ ৩৭ হাজার টনে নেমে আসে। অর্থাৎ ২০১৪-১৫ অর্থবছরের তুলনায় ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বোরোর উৎপাদন কমেছে ২ লাখ ৫৫ হাজার টন। বোরোর উৎপাদন কমে যাওয়ার জন্য প্রধান কারণ হল, শস্যভাণ্ডারখ্যাত দেশের উত্তরাঞ্চলে শুষ্ক মৌসুমে তিস্তা নদীর পানির প্রবাহ মারাত্মকভাবে কমে যাওয়া। ভারত নানা অজুহাতে শুকনো মৌসুমে তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যা না দেয়ায় ওই অঞ্চলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে। ফলে পরিবেশ বিপর্যয়ের সমূহ আশংকা দেখা দেয়ায় সরকার বাধ্য হয়ে উত্তরাঞ্চলে সেচনির্ভর বোরোর আবাদ সংকুচিত করার পদক্ষেপ নিয়েছে। দুই. চাল আমদানি হ্রাস। গত কয়েক বছরের সরকারি তথ্যে দেখা যায়, বেসরকারি খাত মূলত ভারত থেকে বিপুল পরিমাণে চাল আমদানি করার ফলে চালের দাম স্থিতিশীল থাকে। উদাহরণস্বরূপ, ২০১০-১১, ২০১১-১২, ২০১২-১৩, ২০১৩-১৪ এবং ২০১৪-১৫ অর্থবছরে সরকারি ও বেসরকারি খাতে আমাদের চাল আমদানির পরিমাণ দাঁড়ায় যথাক্রমে ১৫ লাখ ৫৪ হাজার টন, ৫ লাখ ১৪ হাজার টন, ২৭ হাজার টন, ৩ লাখ ৭৪ হাজার টন, ১৪ লাখ ৯০ হাজার টন। এতে দেখা যায়, ২০১২-১৩ অর্থবছর বাদে অন্য সব বছরে বিপুল পরিমাণ চাল আমদানি করা হয়েছে। ২০১৫ সালে চাল আমদানির ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করায় ২০১৫-১৬ অর্থবছরে চালের আমদানি কমে দাঁড়ায় ২ লাখ ৫৭ হাজার টনে। চলতি অর্থবছরে (২০১৬-২০১৭) চাল আমদানির ওপর শুল্কের হার ১০ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশে উন্নীত করায় বেসরকারি খাতে চাল আমদানি ভীষণভাবে কমে গেছে। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটের তথ্য মোতাবেক চলতি অর্থবছরের ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত বেসরকরি খাতে চাল আমদানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮৯ হাজার ৪৭ টন। উল্লেখ্য, চাল আমদানির ওপর শুল্ক আরোপ/বৃদ্ধিতে যেমন একদিকে কৃষক উপকৃত হন না, তেমনি ক্ষতিগ্রস্ত হন ভোক্তা। এর একাধিক কারণ রয়েছে। এগুলো হল- ক. কৃষকরা, বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষীরা চাল নয়, মৌসুমের শুরুতে ধান বিক্রি করেন, তারা চাল বিক্রি করেন না। সুতরাং চালের দাম বৃদ্ধি তাদের কোনো উপকারে তো আসেই না, বরং তারা ক্ষতিগ্রস্ত হন। কারণ ধান কাটার মৌসুম শেষ হওয়ার কিছুদিনের মধ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষীরা চাল ক্রেতায় পরিণত হন। খ. চাল আমদানির ওপর নতুন করে শুল্কারোপ করা হলে আমদানিকারকরা সে অনুপাতে তাদের আমদানিকৃত চালের দাম বাড়িয়ে দেন। গ. আমদানি করা চালের দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চালকল মালিক ও মজুদদাররা তাদের মজুদ করা চালের দাম বাড়িয়ে দেন। তিন. সরকারি গুদামে চালের যে মজুদ রয়েছে তা উদ্বেগজনক। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটের তথ্যে দেখা যায়, ২০ এপ্রিল সরকারের গুদামে চাল মজুদের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩ লাখ ৪০ হাজার ৮৫ টনে, যা বিগত ৬ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম। সরকারি গুদামে চালের মজুদ এমন উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছায় চালকল মালিকরা বুঝতে পেরেছেন, সরকার সহসা ওএমএসসহ অন্য ব্যবস্থা ব্যাপকভাবে চালু করে চালের বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না। এ পরিস্থিতি চালকল মালিকদের খেয়ালখুশিমতো চালের দাম বাড়াতে উৎসাহ জুগিয়েছে।

চালের দাম বৃদ্ধি একাধিক কারণে সাধারণ মানুষের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এক. বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হাউসহোল্ড ইনকাম অ্যান্ড এক্সপেন্ডিচার সার্ভে (এইচআইইএস) ২০১০ মোতাবেক জাতীয় পর্যায়ে একটি পরিবারের মাসিক মোট ব্যয়ের ৫৪ দশমিক ৮১ শতাংশ খরচ হয় খাদ্যে। আবার মাসিক মোট খাদ্য বাবদ খরচের ৩৫ দশমিক ৯৫ শতাংশ ব্যয় হয় খাদ্যশস্য (চাল, গম) ক্রয়ে। বাংলাপিডিয়ার মতে, বাংলাদেশের প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষের প্রধান খাদ্য চাল থেকে পাওয়া ভাত। তাই চালের দামে ওঠানামার সঙ্গে জনগণের দুর্ভোগের হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে। চালের দামের চলতি ঊর্ধ্বগতি স্বভাবতই তাদের আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

দুই. চালের, বিশেষ করে মোটা চালের দাম বৃদ্ধির ক্ষতিকর প্রভাব ওই চালের সব শ্রেণীর ভোক্তার ওপর পড়লেও সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় দরিদ্র ও হতদরিদ্র পরিবারগুলো। সরকারি হিসাবমতে, দেশে এখনও ৪ কোটির বেশি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি অংশ হতদরিদ্র। বিআইডিএসের এক গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী খাদ্য-মূল্যস্ফীতি বাড়লে ৭৩ দশমিক ৮ শতাংশ হতদরিদ্র পরিবার চালের ভোগ কমিয়ে দেয়। দরিদ্র পরিবারের বেলায় এ হার ৬৬ শতাংশ। মোটা চালের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাওয়ায় এদের খাদ্য নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়বে।

তিন. শুধু দরিদ্র ও হতদরিদ্ররা নয়, চালের দাম বৃদ্ধিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় মধ্যবিত্ত ও নিন্ম মধ্যবিত্তরাও, বিশেষ করে যাদের আয় নির্দিষ্ট। চালের দামের ঊর্ধ্বগতির কারণে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্তদের মাছ-মাংস, ডিম, দুধ অর্থাৎ আমিষজাতীয় খাবার কেনা অনেকটা কমিয়ে দিতে হবে। এতে তাদের পরিবারে, বিশেষ করে শিশু ও নারীদের মধ্যে পুষ্টির অভাব ঘটবে। এমনিতেই খাদ্যে পুষ্টিমানের অভাবের কারণে বৈশ্বিক খাদ্য নিরাপত্তা তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান তলানিতে। চালের মূল্যবৃদ্ধিতে এ অবস্থার আরও অবনতি হবে।

সবশেষে যা বলতে চাই তা হল, জনগণকে বিশেষ করে হতদরিদ্র, দরিদ্র ও সীমিত আয়ের মানুষকে কিছুটা স্বস্তি দানের জন্য সরকারের উচিত হবে চালের দাম তাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে স্থিতিশীল রাখা। চালের মোট উৎপাদন আরও বাড়াতে এবং উৎপাদনে প্রবৃদ্ধির হার ঊর্ধ্বমুখী করতে শুকনো মৌসুমে তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যা পেতে ভারতের সঙ্গে চুক্তি করাসহ কৃষি খাতে ভর্তুকি বৃদ্ধি, ধানচাষীদের স্বল্প সুদে ঋণ প্রদান, উন্নত জাতের বীজ সরবরাহ, সার সহজলভ্যকরণ, সেচ সুবিধা বাড়ানো ইত্যাদি কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে। তাছাড়া ব্যবসা-বাণিজ্যে প্রতিযোগিতাকে উৎসাহিত করা, ভোক্তাদের জন্য সুলভমূল্যে খাদ্যদ্রব্যসহ সব ধরনের পণ্য সরবরাহ ইত্যাদি উদ্দেশ্যে ২০১২ সালে প্রণীত প্রতিযোগিতা আইনটি কার্যকর ও বাস্তবায়নে আশু পদক্ষেপ নিতে হবে।

আবদুল লতিফ মন্ডল : সাবেক সচিব, কলাম লেখক

[email protected]










« PreviousNext »

সর্বশেষ
অধিক পঠিত
এই পাতার আরও খবর
ইনফরমেশন পোর্টাল অব বাংলাদেশ (প্রা.) লিমিটেড -এর চেয়ারম্যান সৈয়দ আবিদুল ইসলাম ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ রওশন জামান -এর পক্ষে সম্পাদক কাজী আব্দুল হান্নান  ও উপদেষ্টা সম্পাদক সৈয়দ আখতার ইউসুফ কর্তৃক প্রকাশিত ও প্রচারিত
ইমেইল: [email protected], বার্তা বিভাগ: [email protected]